মেনু
দেবদাস
Alcoholism and self-destruction Patriarchal norms Social Hierarchy Societal constraints Unrequited love

দেবদাস

দ্বারা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

পড়ার সময়

3m

ভাষা

Bengali

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
দেবদাস
English
দেবদাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
English Hinduism

দেবদাস

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

দেবদাস একটি মর্মান্তিক প্রেমের গল্প যা সামাজিক সীমাবদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত দুর্বলতার ধ্বংসাত্মক প্রকৃতি অন্বেষণ করে। উপন্যাসটি দেবদাসকে কেন্দ্র করে, যিনি একটি ধনী ব্রাহ্মণ পরিবারের যুবক, এবং পার্বতীকে নিয়ে এর কাহিনী।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

ভালোবাসা কি সত্যিই মানুষকে মুক্তি দেয়, নাকি তা হয়ে ওঠে এক সুগভীর কারাগার? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস “Devdas”-এর প্রতিটি পাতায়।

গল্পের প্রেক্ষাপট গড়ে ওঠে বাল্যকালের সেই সহজ সরল প্রেমকে ঘিরে, যা পরিণত বয়সে এসে সমাজের নিষ্ঠুর নিয়মের বেড়াজালে বন্দি হয়ে পড়ে। কলকাতার নিঝুম রাত। দেবদাসের ঘরের বাতাস ভারী হয়ে আছে মদের কটু গন্ধে আর ধূপের ধোঁয়াটে আচ্ছন্নতায়। জানালার বাইরে বৃষ্টির শব্দ, যেন প্রকৃতির দীর্ঘশ্বাস। দেবদাস বসে আছে স্থির হয়ে, তার চোখের দৃষ্টি ঝাপসা, মনে পড়ছে সেই শৈশব—পারুর বাড়ির উঠোনে কাঁচা আমের টক স্বাদ আর তাদের লুকোচুরি খেলার স্মৃতি।

একটি দৃশ্য আজও ভুলতে পারি না। পার্বতী যখন দেবদাসের সামনে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো মিনতি করে বলেছিল, “তুমি আমাকে বিয়ে করো।” দেবদাস তখন কি যেন একটা বলতে চেয়েছিল, কিন্তু তার সেই অহংকারী মৌনতা আর দ্বিধা সব কিছু শেষ করে দেয়। পার্বতী তখন দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিল, “আমি তোমাকে আর ডাকব না, কিন্তু মনে রেখো, আমার এই ডাক হয়তো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমার কানে বাজবে।”

দেবদাসের অন্তরের জমানো হাহাকার বড় করুণ। সে নিজের পতনকে নিজেই উপভোগ করে, যেন এই ধ্বংসের মাঝেই সে তার প্রিয়তমাকে খুঁজে পায়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখনী এখানে অসাধারণ; তিনি লিখেছেন, “মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই, কেবল নিজের মনকে জয় করা ছাড়া।”

এই উপন্যাসের আসল বার্তা হলো—সমাজ যখন মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেয় না, তখন সেই আবেগই বিষ হয়ে মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। এটি কেবল প্রেমের গল্প নয়, এটি মানুষের দম্ভ, সামাজিক কুসংস্কার আর আত্মহননের এক নির্মম দলিল। শরৎচন্দ্রের ভাষা এখানে এতটাই প্রাণবন্ত যে, আপনি প্রতিটি চরিত্রকে আপনার পাশে অনুভব করবেন। দেবদাসের শেষ যাত্রায় সে যখন অসুস্থ শরীরে পারুর বাড়ির সদর দরজার সামনে পড়ে থাকে, তখন কি সে তার জীবনের ভুলগুলো বুঝতে পেরেছিল? সেই প্রশ্নের উত্তর কি আজও পাওয়া সম্ভব? [long pause]

এই কাহিনী কেবল শোনা নয়, এটি অনুভব করার মতো। জীবনের শেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে থাকা এক পরাজিত মানুষের হাহাকার শুনতে চাইলে “Devdas” আপনার সংগ্রহে থাকতেই হবে।

Share this summary