জ্যাডি স্মিথ’স হোয়াইট টিথ: দ্য ইন্টারপেলেশন অফ দ্য কলোনিয়াল সাবজেক্ট ইন মাল্টিকালচারাল ব্রিটেন
দ্বারা সেরকান হামজা বাগলামা
জ্যাডি স্মিথ’স হোয়াইট টিথ: দ্য ইন্টারপেলেশন অফ দ্য কলোনিয়াল সাবজেক্ট ইন মাল্টিকালচারাল ব্রিটেন
Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.
এই বইটি সম্পর্কে
An academic article that analyzes Zadie Smith’s novel ‘White Teeth’ (2000) through a Marxist and postcolonial lens. The author introduces the theoretical concept of ‘double alienation’ to explain how immigrant characters experience simultaneous marginalization due to both their working-class status and their identity as colonial subjects in the British ‘colonial center.’
মূল অন্তর্দৃষ্টি
একজন মানুষ যখন নিজেকে তার নিজের দেশেই অপরিচিত মনে করেন, তখন কী ঘটে? জ্যাডি স্মিথের উপন্যাসের চরিত্ররা ব্রিটিশ সমাজে বাস করেন, কিন্তু তারা সেই সমাজেরই অংশ হতে গিয়ে নিজেদের হারিয়ে ফেলেন। এই বৈপরীত্যই সারকান হামজা বাগলামার ‘Zadie Smith’s White Teeth: The Interpellation of the Colonial Subject in Multicultural Britain’ শীর্ষক আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। সারকথাটি সহজ ভাষায় বলতে গেলে: ঔপনিবেশিক শাসনামলের স্মৃতি বয়ে বেড়ানো অভিবাসীরা ব্রিটেনে একই সাথে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে এক গভীর বিচ্ছিন্নতায় ভোগেন।
লেখক বাগলামা একে অভিহিত করেছেন ‘দ্বৈত বিচ্ছিন্নতা’ বা ‘Double Alienation’ হিসেবে। তিনি দেখিয়েছেন, এই মানুষগুলো কেবল শ্রমজীবী হিসেবে অবহেলিত নন, বরং তাদের গায়ের রঙ ও পরিচয়ের কারণে তারা সবসময়ই এক ধরণের ‘অন্য’ বা ‘বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত হন। বাগলামা চমৎকারভাবে বিশ্লেষণ করেছেন যে, এই অবহেলা থেকে বাঁচতে চরিত্রগুলো দুটি ভিন্ন পথ বেছে নেয়। একদল আপ্রাণ চেষ্টা করে সাদা চামড়ার উচ্চবিত্ত সমাজের মতো হয়ে উঠতে, যাকে লেখক বলছেন ‘বহির্মুখী উপায়’। অন্যদল, যেমন সামাদ বা মিলাত, ধর্ম কিংবা উগ্র জাতীয়তাবাদের আশ্রয়ে নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে চায়—যা ‘অন্তর্মুখী উপায়’।
লেখক একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লিখেছেন, “তাদের এই প্রতিরোধ আসলে বিপ্লবী কোনো কাজ নয়, বরং বিদ্যমান ব্যবস্থার ভেতরেই আটকে থাকা এক ধরণের মরিয়া প্রতিক্রিয়া।” [short pause] অর্থাৎ, তারা যে সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়ছেন, অজান্তেই তারা সেই সিস্টেমেরই মূল্যবোধকে স্বীকৃতি দিয়ে ফেলছেন। বাগলামা নিজে একজন গবেষক হিসেবে এই কাজটি করেছেন অভিবাসীদের মনস্তত্ত্বের গভীরতম ক্ষতগুলোকে তুলে ধরার তাগিদে। কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন, এই চরিত্রগুলো কি আদৌ কোনো সমাধান খুঁজে পায়? বাগলামার মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী কাঠামোটি টিকে থাকবে, ততক্ষণ তাদের এই ‘পালানোর পথ’গুলো আসলে তাদের আরও বেশি করে সিস্টেমের খাঁচায় বন্দি করে ফেলবে।
আপনি যদি বুঝতে চান কেন আধুনিক ব্রিটেনে আজও পরিচয় সংকট একটি বিশাল দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তবে এই সারটি আপনার শোনা প্রয়োজন। কেন এই মানুষগুলো বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? সেই উত্তর খুঁজতে মূল বইটিতে ডুব দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।