স্ক্রিন বার্ন
দ্বারা চার্লি ব্রুকার
স্ক্রিন বার্ন
Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.
এই বইটি সম্পর্কে
A collection of acerbic, biting, and hilarious television columns written for the Guardian’s G2 section, documenting the rise of reality television, the decline of quality programming, and the surreal nature of the British media landscape at the turn of the millennium.
মূল অন্তর্দৃষ্টি
টিভি সেটের নীলচে আলোয় মুখটা ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে। আপনি জানেন যে আপনি যা দেখছেন তা একেবারেই আবর্জনা—একেবারেই বাজে—তবুও চোখ ফেরাতে পারছেন না। স্ক্রিনে তখন কোনো এক রিয়েলিটি শো’র প্রতিযোগী অকারণে চিৎকার করছে, আর আপনার মনে হচ্ছে মানবসভ্যতা বুঝি এইমাত্র এক ইঞ্চি নিচে নেমে গেল। চার্লি ব্রুকার তার “Screen Burn” বইটিতে ঠিক এই মুহূর্তটির ব্যবচ্ছেদ করেছেন।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, বইটি হলো আমাদের দেখা টেলিভিশনের সেই বিবর্তনের গল্প, যেখানে বিনোদনের নামে আসলে মানুষের অপমান আর সস্তা নাটকীয়তাকে বিক্রি করা হয়েছে।
চার্লি ব্রুকার একজন তুখোড় সাংবাদিক, যিনি ব্রিটিশ মিডিয়ার ভেতরের অন্ধকার দিকটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি বলছেন, “টিভি হলো এমন এক জায়গা যেখানে রুচির মৃত্যু ঘটে আর সস্তা তামাশার জয়গান গায়।” কেন এই কথাটি গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমরা যখন রিমোট হাতে নিয়ে কোনো অখাদ্য অনুষ্ঠান দেখি, তখন আসলে আমরা নিজেদের অজ্ঞতারই চর্চা করছি।
বইটিতে ব্রুকার কয়েকটি জোরালো দাবি করেছেন। প্রথমত, ‘বিগ ব্রাদার’-এর মতো শো দিয়ে রিয়েলিটি টিভির যে সূচনা হয়েছিল, তা মূলত মানবিক মর্যাদার অবমাননা। দ্বিতীয়ত, ডিজিটাল যুগের অজস্র চ্যানেলের ভিড়ে আমরা আসলে এক বিশাল শূন্যতার মধ্যে আটকা পড়েছি, যেখানে মানসম্পন্ন প্রোগ্রামের চেয়ে ‘ডিসাস্টার পর্ন’ বা মানুষের বিপদের দৃশ্য বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। আর তৃতীয়ত, সাইমন কাউয়েলের মতো বিচারকদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে নিষ্ঠুরতাকে বিনোদন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। [short pause]
কেউ হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন, টেলিভিশনের এই অবক্ষয়ের জন্য কি শুধু নির্মাতারা দায়ী? ব্রুকার এর উত্তরে আঙুল তুলেছেন দর্শকের দিকেই। তিনি বলছেন, আমরা নিজেরাও এই ‘স্নিয়ারিং ক্লাস’ বা উপহাসকারী গোষ্ঠীর অংশ, যারা ঘৃণা করেও টিভি দেখা বন্ধ করতে পারি না। [sigh]
[uhm] চার্লি ব্রুকার তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর বিদ্রূপের মাধ্যমে আমাদের আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। বইটি পড়ার পর টিভির দিকে তাকালে আপনি আর আগের মতো নির্লিপ্ত থাকতে পারবেন না। আমাদের চারপাশের এই মিডিয়া জগতটা আসলে কতটা ফাঁপা আর কৃত্রিম, তা বোঝার জন্য “Screen Burn” এক দারুণ সফর। আপনি কি তৈরি সেই সত্যটা জানার জন্য?