মেনু
মারো অক্ষর
Human resilience Passage of time Social inequality Urban alienation

মারো অক্ষর

দ্বারা নিরঞ্জন ভগত

পড়ার সময়

3m

ভাষা

Gujarati

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
মারো অক্ষর
English
মারো অক্ষর
নিরঞ্জন ভগত
English Hinduism

মারো অক্ষর

নিরঞ্জন ভগত
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

নিরঞ্জন ভগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা সংগ্রহ যা আধুনিকতাবাদী এবং চিত্রকল্পের নান্দনিকতা গুজরাটি কবিতায় পরিচয় করিয়ে দেয়, নগর অভিজ্ঞতাকে সংক্ষিপ্ত, সঠিক এবং প্রভাবশালী ভাষায় ধারণ করে।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

সেই বেলুন বিক্রেতা মানুষটি—যার সারা শরীরের চামড়া শহরের ধুলোয় ধূসর হয়ে গেছে, ক্লান্ত দুই চোখে যার কেবলই আগামীকালের অনিশ্চয়তা। ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা সেই মানুষটির হাতের সুতোগুলো যেন অসংখ্য স্বপ্নের মতো বাতাসে কাঁপছে, অথচ শহরের ব্যস্ত পথচারীরা তাকে দেখতেই পাচ্ছে না। নিরঞ্জন ভগত তার “Maro Aksar” কাব্যে আমাদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেন এক আশ্চর্য ও বিষণ্ণ শহরের সাথে।

শহরের এই যান্ত্রিকতায়, যেখানে সময় মেপে চলে পুরোনো ঘড়িটা, সেখানে নির্জন রাতে কোনো এক কুকুরের ডাক যেন হৃদয়ের গভীর কোনো ক্ষতকে জাগিয়ে দেয়। [sigh] নিরঞ্জন ভগত অত্যন্ত নিপুণভাবে এই শহরের অমানবিকতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। তার বর্ণনায় একটি দৃশ্য আমার মনে আজও গেঁথে আছে—একটি অন্ধ মানুষ, যে শব্দের মাধ্যমে শহরকে অনুভব করার চেষ্টা করছে। চারিদিকের কোলাহল যখন তাকে ঘিরে ধরে, সে ফিসফিস করে নিজেকেই প্রশ্ন করে, “এই অরণ্যে আমি কোথায়?”— [uhm] যেন সে এই কংক্রিটের জঙ্গলের অস্তিত্ব সংকটকেই নিজের কণ্ঠে তুলে আনছে।

এই বইটির মূল সুর হলো নগর জীবনের বিচ্ছিন্নতা আর একাকীত্ব। নিরঞ্জন ভগত আমাদের বোঝাতে চেয়েছেন, আধুনিকতা আমাদের কত কাছে নিয়ে এসেছে ঠিকই, কিন্তু আমরা ভেতরে ভেতরে ততটাই একা হয়ে গেছি। লেখকের লেখনশৈলীর মুন্সিয়ানা এখানেই যে, তিনি সাধারণ একটি বাস স্টপের দৃশ্যকেও শিল্পের উচ্চতায় নিয়ে যান। তিনি লেখেন— “শহরের নিস্তব্ধতা যখন বাতির নিচে জমা হয়, তখন ছায়াগুলোও নিজের পরিচয় ভুলে যায়।”

তার শব্দচয়ন স্বচ্ছ, কিন্তু অর্থ গভীর। “Maro Aksar” কেবল একটি কবিতার সংকলন নয়, এটি এক টুকরো আয়না, যাতে আমরা আমাদেরই প্রতিদিনের মুখোশ দেখতে পাই। কেন আমরা ভিড়ের মাঝেও নিঃসঙ্গ? কেন আমাদের সহমর্মিতা আজ কর্পোরেট হিসেবের কাছে হেরে যাচ্ছে? [short pause] এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হলে আপনাকে পড়তে হবে এই অনন্য সৃষ্টি। হয়তো এই কবিতার পাতায় আপনি নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাবেন, অথবা খুঁজে পাবেন সেই মানুষটিকে, যাকে আপনি রোজ ভিড়ে হারিয়ে ফেলেন।

Share this summary