স্মৃতি এবং বিস্মৃতি
দ্বারা সুরেশ যোশী
স্মৃতি এবং বিস্মৃতি
Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.
এই বইটি সম্পর্কে
সুরেশ যোশীর স্মৃতি, শৈশব এবং অন্তর্গততার উপর একটি গীতিময় গদ্য ধ্যান। এটি আধুনিকতাবাদী গুজরাটি সাহিত্যের একটি মৌলিক গ্রন্থ যা অনুভূতির খণ্ডিত প্রকৃতি অন্বেষণ করে।
মূল অন্তর্দৃষ্টি
সুরেশ যোশীর জীবনস্মৃতির এই আকর গ্রন্থ ‘Smriti Ane Vismriti’ সম্পর্কে একটি অজানা তথ্য হলো, এটি কেবল কোনো স্মৃতিকথা নয়; এটি একটি আধুনিকতাবাদী গদ্যের জাদুকরী পরীক্ষা, যা মানুষের স্মৃতি কীভাবে সময়ের সাথে সাথে নিজস্ব রূপ বদলে ফেলে, তার এক অনন্য দলিল। এই বইটি মূলত আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের স্মৃতিগুলো ধ্রুব সত্য নয়, বরং সময়ের স্রোতে ভেসে আসা কিছু খণ্ড খণ্ড স্বপ্নের সমষ্টি।
সুরেশ যোশী একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, যিনি ভাষা ও চেতনার গভীরে বিচরণ করতে ভালোবাসতেন। নিজের শৈশব, বোম্বের মতো মহানগরের একাকীত্ব আর প্রিয়জনের হারানোর বেদনাকে তিনি যেভাবে বুনন করেছেন, তা পাঠককে এক গভীর সম্মোহনে আচ্ছন্ন করে। তিনি লেখেন, “স্মৃতি মানেই তো কিছুটা ভুলে যাওয়া—যাকে আমরা বাদ দিই, তা আসলে আমাদের অস্তিত্বের অংশ হয়েই থেকে যায়।” এই কথার মর্মার্থ এটাই যে, আমাদের পরিচয় কেবল যা মনে আছে তাতে নয়, বরং যা আমরা বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে ফেলেছি, তার মধ্যেও লুকিয়ে থাকে।
তিনি স্মৃতিকে দেখেছেন একটি অসম্পূর্ণ ছবির মতো, যেখানে রঙের চেয়ে ছায়াই বেশি স্পষ্ট। সুরেশ যোশীর যুক্তিতে, জীবন কোনো সরলরেখা নয়, বরং এটি চক্রাকার; যেখানে মৃত্যু এবং নতুন শুরুর মাঝে এক অমোঘ মেলবন্ধন ঘটে। [sigh] অনেকেই হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন, স্মৃতি যদি ভুলই হয়, তবে তা আঁকড়ে ধরার মানে কী? লেখক এর উত্তরে বলেন, সত্যের সন্ধানে নয়, বরং জীবনের অনুভূতির সত্যতায় বাঁচাই আসল সার্থকতা।
শৈশবের ঘর আর বোম্বের অচেনা রাস্তার টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে সুরেশ যোশী এই গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন যে, মানুষ যখন তার অতীতকে মেনে নেয়, তখনই সে বর্তমানে বাঁচার শক্তি খুঁজে পায়। আমাদের সত্তার এই ভাঙাগড়া আর জোড়াতালির গল্পই ‘Smriti Ane Vismriti’।
আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, যে স্মৃতিগুলোকে আপনি আপনার শ্রেষ্ঠ সম্পদ মনে করেন, সেগুলো আসলে কতটা বাস্তব? এই অমূল্য সারসংক্ষেপটি শোনার পর আপনি জীবনকে আর আগের মতো দেখবেন না। জীবনের এই লুকোচুরি খেলার শেষটা জানতে, এই যাত্রায় সঙ্গী হতেই হবে।