মেনু
কালপুরুষ
Existentialism Human connection Individual Freedom

কালপুরুষ

দ্বারা হুমায়ূন আহমেদ

পড়ার সময়

3m

ভাষা

Bengali

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
কালপুরুষ
English
কালপুরুষ
হুমায়ূন আহমেদ
English Hinduism

কালপুরুষ

হুমায়ূন আহমেদ
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

হুমায়ূন আহমেদের কালপুরুষ একটি আকর্ষক বাংলা উপন্যাস, যা রহস্যময় চরিত্র হিমুকে কেন্দ্র করে রচিত। গল্পটি সামাজিক প্রত্যাশা, যুক্তিবাদ বনাম অযৌক্তিকতা এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

হুমায়ূন আহমেদ যখন তার চারপাশের মানুষগুলোর ভেতর দিয়ে হেঁটে যেতেন, তখন তিনি কেবল তাদের দেখতেন না, বরং তাদের অস্তিত্বের ভেতরের সেই শূন্যতাকে অনুভব করতেন যা মানুষ ঢেকে রাখতে চায় চাকচিক্য আর মিথ্যে অহংকারে। নিজের জীবনের নানা অদ্ভুত অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকে তিনি তৈরি করেছিলেন এমন এক চরিত্র, যে প্রথাগত ছাঁচে ধরা দেয় না। সেই সৃষ্টির নাম ‘Kalpurush’।

এক ধোঁয়াশাচ্ছন্ন বিকেলে হিমু দাঁড়িয়ে আছে এক ধনী ব্যবসায়ীর বাড়ির বারান্দায়। চারপাশটা দামি সুগন্ধি আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঠাণ্ডায় ভারী, কিন্তু হিমুর চোখে এক অদ্ভুত স্থিরতা। আলোটা জানালার কাঁচ চিরে সোজা পড়ছে তার হলুদ পাঞ্জাবির ওপর। [short pause] সেখানে রুপার সাথে হিমুর কথোপকথনটি আজও আমার মনে পড়ে। রুপা নিচু স্বরে বলে, “তুমি কি আসলেই কিছু চাও না, হিমু?” হিমু মৃদু হেসে উত্তর দেয়, “চাওয়ার চেয়ে না চাওয়াটাই অনেক বেশি স্বাধীন, রুপা। স্বাধীনতা মানেই হলো, তোমার অভাব বোধের বিলুপ্তি।”

এই বইটির আসল দর্শন কিন্তু ঠিক এখানেই। হুমায়ূন আহমেদ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে, সমাজ আমাদের কতগুলো অদৃশ্য শিকলে বেঁধে রেখেছে—সাফল্যের মাপকাঠি, অর্থের মোহ আর সামাজিক মর্যাদার নামে। হিমু সেই শিকলগুলো কেবল ছিঁড়েই ফেলে না, বরং সেগুলোর অসারতা প্রমাণ করে নিজের নির্লিপ্ততার মাধ্যমে। হিমুর ভেতরের সেই হাহাকার আর প্রশ্ন—মানুষ কেন এত কিছু পেয়েও তৃপ্ত হয় না—এই গল্পের মূল সুর।

হুমায়ূন আহমেদের জাদুকরী কলম এখানে অদ্ভুতভাবে কার্যকর। তিনি এমন সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক সত্যগুলোকে বুনে দেন যে, পাঠক টেরও পায় না কখন সে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। তাঁর একটি লাইন মনে পড়ে: “মানুষের কষ্ট পাওয়ার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই, কিন্তু সেই কষ্টকে জয় করার ইচ্ছাও তার ভেতরই সুপ্ত থাকে।” [long pause]

‘Kalpurush’ কেবল একটি উপন্যাস নয়, এটি একটি আয়না। আপনি যখন এর পাতাগুলো উল্টাবেন, আপনি কি দেখবেন সেই আয়নায় নিজের অচেনা প্রতিচ্ছবি? নাকি হিমুর মতো মুক্ত হতে চাওয়া এক অস্থির আত্মা? উত্তরটা হয়তো বইটির শেষ পৃষ্ঠায় লুকিয়ে আছে।

Share this summary