মেনু
আগুনের পরশমণি
Family Humanity Patriotism War

আগুনের পরশমণি

দ্বারা হুমায়ূন আহমেদ

পড়ার সময়

10m

ভাষা

Bengali

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
আগুনের পরশমণি
English
আগুনের পরশমণি
হুমায়ূন আহমেদ
English Hinduism

আগুনের পরশমণি

হুমায়ূন আহমেদ
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদের একটি মর্মস্পর্শী উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ এর প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পটি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণিত।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

একাত্তরের উত্তাল দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিতে ভিড় করত সেই অবরুদ্ধ ঢাকার বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার টুকরো চিত্র। তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধের সেই অমানবিকতার মাঝেও মানুষের ভেতরের অদম্য মানবিকতাকে তুলে ধরতে। এভাবেই জন্ম নিল ‘Aguner Parashmani’। কোনো মহাকাব্যিক জয়গান নয়, বরং এক মধ্যবিত্ত পরিবারের নিভৃত যন্ত্রণার দলিল এই আখ্যান।

গল্পের কেন্দ্রে এক সাধারণ পরিবার। বাইরে কারফিউর শাঁ শাঁ শব্দ, অন্ধকারের ভেতর পাকিস্তানি সেনাদের বুটের আওয়াজ—আর ঘরের ভেতরে থমথমে স্তব্ধতা। ঠিক এই সময়ে তাদের জীবনে আসে গুলিবিদ্ধ এক মুক্তিযোদ্ধা, খোকন।

একটি দৃশ্যের কথা এখনো মনে পড়ে—বাইরে ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়ছে, জানালার পর্দাটা বাতাসে উড়ছে। ঘরের ভেতর কেরোসিনের কুপি জ্বলছে, যার আলোয় দেয়ালে লম্বা লম্বা ছায়া নাচছে। বাতাসে পোড়া বারুদ আর ভয়ের মিশ্র এক গন্ধ। খোকনের ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ঝরছে, আর রুপা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে। রুপা ফিসফিস করে বলে, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?” খোকন হাসার চেষ্টা করে বলে, “মরণের চেয়ে বড় ভয় কি আর কিছু আছে?”

[short pause]

এই মুহূর্তগুলো যেন মানুষের সাহসের অগ্নিপরীক্ষা। হুমায়ূন আহমেদ চমৎকার দক্ষতায় দেখিয়েছেন, কীভাবে একটি পরিবার বাইরের আতঙ্ককে উপেক্ষা করে নিজেদের ভেতর এক টুকরো আগুনের পরশমণি খুঁজে পায়। লেখকের লেখনী যেমন সরল, তেমনই তীক্ষ্ণ। তিনি লিখেছেন, “মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সাহসে, আর সবচেয়ে বড় পরাজয় তার ভীরুতায়।”

এই বইয়ের আসল বার্তাটি লুকিয়ে আছে মানুষের অস্তিত্বের লড়াইয়ে। এটি কেবল যুদ্ধের গল্প নয়, এটি ত্যাগের মহিমা আর ভালোবাসার শক্তিতে অন্ধকারকে জয় করার আখ্যান। হুমায়ূন আহমেদের গদ্যের জাদু হলো—তিনি অতি সাধারণ সংলাপের ভেতর দিয়ে জীবনের গভীরতম সত্যকে ছুঁয়ে দেন। [medium pause]

Share this summary