মেনু
সত্যনা প্রয়োগো (আমার সত্যের সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার গল্প)
Ahimsa (Non-violence) Brahmacharya (Celibacy) Social justice স্ব-শৃঙ্খলা

সত্যনা প্রয়োগো (আমার সত্যের সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার গল্প)

দ্বারা মহাত্মা গান্ধী

পড়ার সময়

3m

ভাষা

Gujarati

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Non-Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
সত্যনা প্রয়োগো (আমার সত্যের সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার গল্প)
English
সত্যনা প্রয়োগো (আমার সত্যের সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার গল্প)
মহাত্মা গান্ধী
English Hinduism

সত্যনা প্রয়োগো (আমার সত্যের সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার গল্প)

মহাত্মা গান্ধী
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনী যা গুজরাটে তার শৈশব থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া পর্যন্ত তার আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনকে তুলে ধরে। এটি মূলত গুজরাটিতে লেখা হয়েছিল।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

গান্ধীজির এই বইটি কোনো সাধারণ আত্মজীবনী নয়; এটি মূলত ১৯২৫ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে সাপ্তাহিক ‘নবজীবন’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে লেখা কিছু প্রবন্ধের সংকলন, যা তিনি লিখেছিলেন জেলবন্দী থাকাকালীন তার একান্ত অনুরোধে। পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী এই মানুষটি যখন তার জীবনের ভুলত্রুটিগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরছিলেন, তখন তিনি জানতেন না যে এটি ইতিহাসের এক অন্যতম দলিল হয়ে উঠবে। এই বইটির মূল কথা হলো—সত্যের পথে অবিচল থেকে নিজেকে প্রতিদিন নতুন করে গড়ে তোলা।

‘Satyana Prayogo (The Story of My Experiments with Truth)’ বইটিতে মহাত্মা গান্ধী দেখিয়েছেন কীভাবে একজন অতি সাধারণ, লাজুক বালক থেকে তিনি বিশ্বনেতায় রূপান্তরিত হলেন। বইটিতে তিনি লিখেছেন, “সত্যের চেয়ে মহত্তর কোনো ধর্ম নেই।” এই উক্তিটি শুধু তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রতিফলন নয়, বরং এটি তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপের মূলমন্ত্র ছিল। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, সততা কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়, বরং এটি প্রতিদিনের ব্যবহারের একটি কঠোর অনুশীলন।

তিনি তার বাল্যকালের সেই অবাধ্যতা, ভুল সিদ্ধান্ত এবং নৈতিক স্খলনের কথা অকপতে স্বীকার করেছেন। [sigh] যখন তিনি লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তে যান, তখন সেখানকার প্রলোভনের মুখেও তিনি নিজের খাদ্যাভ্যাস ও নৈতিকতায় অবিচল ছিলেন। তার জীবনের একটি বড় দাবি ছিল—’ব্রহ্মচর্য’ বা আত্মসংযম, যা তাকে বড় বড় রাজনৈতিক সংগ্রামে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে। অনেকেই হয়তো তার এই কঠোরতাকে অবাস্তব বলে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু গান্ধীজির উত্তর ছিল সহজ—আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো বড় লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

একজন অতি সাধারণ মানুষ কীভাবে তার ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অসাধ্য সাধন করতে পারেন, এটাই এই বইয়ের মূল কথা। বইটি পড়তে পড়তে মনে হবে আপনি সরাসরি গান্ধীজির মুখোমুখি বসে তার জীবন দেখছেন। নিজের দুর্বলতাকে জয় করার এই মহাকাব্যটি কি আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে না? তার এই যন্ত্রণাময় অথচ গৌরবের পথচলা আপনাকে শেষ পর্যন্ত কোথায় নিয়ে যাবে, তা জানতে হলে এই বইয়ের প্রতিটি পাতা আপনার জন্য অপেক্ষায় আছে। এটি কেবল একজন মানুষের গল্প নয়, এটি নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা শক্তিকে খুঁজে পাওয়ার এক চিরন্তন দলিল।

Share this summary