মেনু
দ্য রোড লেস ট্র্যাভেলড: এ নিউ সাইকোলজি অফ লাভ, ট্র্যাডিশনাল ভ্যালুজ অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল গ্রোথ
Nature of love self-discipline spiritual growth

দ্য রোড লেস ট্র্যাভেলড: এ নিউ সাইকোলজি অফ লাভ, ট্র্যাডিশনাল ভ্যালুজ অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল গ্রোথ

দ্বারা এম. স্কট পেক

পড়ার সময়

3m

ভাষা

English

রেটিং

4.5

গুরুত্ব

Non-Fiction

AI বর্ণনা
0:00 0:00

সারিকা অ্যাপে শুনুন

মোবাইল অ্যাপ

সারিকা অ্যাপ ডাউনলোড করুন

৯+ ভারতীয় ভাষায় অডিও বুক সংক্ষিপ্তসার।
11:54
100%
দ্য রোড লেস ট্র্যাভেলড: এ নিউ সাইকোলজি অফ লাভ, ট্র্যাডিশনাল ভ্যালুজ অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল গ্রোথ
English
দ্য রোড লেস ট্র্যাভেলড: এ নিউ সাইকোলজি অফ লাভ, ট্র্যাডিশনাল ভ্যালুজ অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল গ্রোথ
এম. স্কট পেক
English Hinduism

দ্য রোড লেস ট্র্যাভেলড: এ নিউ সাইকোলজি অফ লাভ, ট্র্যাডিশনাল ভ্যালুজ অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল গ্রোথ

এম. স্কট পেক
★★★★★ 0.0 (0)
★ 0.0
Rating
0
Listeners
0
Plays
0
Reviews
0
Saved
Audio Summary
0:000:00
0:03
Preview · 10 parts
2:09
1x
⌁ Music off
play_arrow

Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.

এই বইটি সম্পর্কে

ব্যক্তিগত বিকাশের উপর একটি মৌলিক কাজ, যা মনোবিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতাকে মিলিয়ে পাঠকদের বাস্তবতা ও কল্পনার পার্থক্য বুঝতে ও স্ব-শৃঙ্খলা ও প্রেমের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।

মূল অন্তর্দৃষ্টি

একটি চমকপ্রদ তথ্য হলো, বিখ্যাত এই বইটি প্রথমবার প্রকাশের পর প্রায় দুই বছর ধরে তেমন কোনো পাঠকই খুঁজে পায়নি; কিন্তু মানুষের হাত ঘুরে যখন এর মূল দর্শন ছড়িয়ে পড়ল, তখন এটি প্রায় দুই দশক ধরে বেস্টসেলারের তালিকায় থেকে এক ইতিহাস তৈরি করে। এম. স্কট পেক তার ‘The Road Less Traveled: A New Psychology of Love, Traditional Values and Spiritual Growth’ বইয়ের শুরুতে যে সহজ সত্যটি তুলে ধরেন তা হলো— জীবন কঠিন, আর এই সত্যটি মেনে নেওয়াতেই জীবনের আসল মুক্তি।

এম. স্কট পেক পেশায় ছিলেন একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। ব্যক্তিগত জীবনের নানা টানাপোড়েন এবং রোগীদের সাথে দীর্ঘ চিকিৎসার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, মানসিক সমস্যার মূল কারণ হলো জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা। তিনি বলেন, “ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা হলো জীবনের সমস্যাগুলো সমাধানের প্রাথমিক হাতিয়ার।” তিনি চারটি প্রধান উপায়ের কথা বলেছেন—বিলম্বিত তৃপ্তি, দায়িত্ব গ্রহণ, সত্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং ভারসাম্য।

এক জায়গায় লেখক লিখছেন, “ভালোবাসা কোনো আবেগ নয়, এটি একটি কাজ; অর্থাৎ নিজেকে বা অন্য কারো আধ্যাত্মিক বিকাশের জন্য নিজের ইচ্ছাকে প্রসারিত করার নামই ভালোবাসা।” এটিই বইটির মূল দর্শন—যে একটি বারো বছরের শিশুও বুঝতে পারবে যে, প্রেম কোনো রূপকথা নয়, বরং এটি পরিশ্রম ও পরিচর্যার বিষয়।

সমালোচকরা অনেকেই বলেন, এই বইয়ের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক নয়। তবে পেক এর জবাবে দেখিয়েছেন যে, প্রতিটি মানুষেরই একটি নিজস্ব বিশ্বদর্শন থাকে, আর সেটাই তার ধর্ম। তিনি যুক্তি দেন, কেবল তথাকথিত বিজ্ঞান দিয়ে মানুষের অস্তিত্বের গভীর শূন্যতা পূরণ করা অসম্ভব।

[sigh]

পেক তার লেখায় দেখান, মানুষ যখন কোনো সমস্যা দেখে পালিয়ে বেড়ায়, তখন সে আসলে নিজের আত্মা থেকে দূরে সরে যায়। কিন্তু যে পথে লোক কম, অর্থাৎ যে পথে কষ্ট আছে কিন্তু সততা আছে, সেই পথেই মানুষ খুঁজে পায় তার প্রকৃত সত্তাকে। [short pause]

Share this summary