বোকাদের একটি গোষ্ঠী
দ্বারা জন কেনেডি টুয়েল
বোকাদের একটি গোষ্ঠী
Bhakti Yoga is a profound exploration of the path of devotion, presenting love, surrender, and spiritual discipline through the teachings of Swami Vivekananda.
এই বইটি সম্পর্কে
Set in 1960s New Orleans, the novel follows the misadventures of Ignatius J. Reilly, an eccentric, misanthropic medievalist who is forced to navigate the modern world after his mother causes a car accident. His farcical journey involves various odd jobs and colorful encounters, all while he rails against modern society and views himself as a genius surrounded by ‘dunces’.
মূল অন্তর্দৃষ্টি
জন জনাথন সুইফটের বিখ্যাত উক্তি থেকেই এই উপন্যাসের নাম ধার করেছেন, তবে “A Confederacy of Dunces” কেবল একটি ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস নয়; এটি আধুনিক সভ্যতার তথাকথিত বুদ্ধিবৃত্তিক অহংকারের ওপর একটি চূড়ান্ত আঘাত। জন কেনেডি টুল এমন এক চরিত্র সৃষ্টি করেছেন, যে পুরো পৃথিবীকে এক বিশাল মূর্খদের আড্ডাখানা বলে মনে করে, অথচ নিজে তার আবর্তেই বন্দি।
নিউ অরলিয়ন্সের আর্দ্র, ভ্যাপসা বাতাস আর ফরাসি অঞ্চলের সরু গলিগুলোর মাঝে ইগনেশিয়াস জে. রেইলি দাঁড়িয়ে আছে। তার পরনে টুইড কাপড়ের প্যান্ট, মাথায় অদ্ভুত এক সবুজ শিকারি টুপি। [short pause] চারপাশের মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততাকে সে ঘৃণাভরে দেখছে। তার কাছে এই আধুনিক পৃথিবী মানেই জ্যামিতি আর ধর্মতত্ত্বের চরম অবমাননা। সে যখন তার মায়ের সাথে ডি.এইচ. হোমস ডিপার্টমেন্ট স্টোরের সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করে অভিযোগ করে, তখন চারদিকের কোলাহল যেন স্থির হয়ে যায়। তার জিব দিয়ে বেরিয়ে আসে মধ্যযুগীয় দর্শনের গালগল্প আর আধুনিকতা-বিদ্বেষী বিষাদ।
একটি দৃশ্যের কথা মনে পড়ে, যেখানে ইগনেশিয়াস তার কর্মক্ষেত্রে ‘লেভি প্যান্টস’ কারখানায় শ্রমিকদের মাঝে বিদ্রোহ জাগানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে। তার গলার স্বর ভারী, কিন্তু সেই গাম্ভীর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর নিরাপত্তাহীনতা। ইগনেশিয়াস যখন বলে, “আমি তো কেবল শৃঙ্খলা চাই, কিন্তু এই মূর্খদের পৃথিবীতে শৃঙ্খলা এক অসম্ভব বিলাসিতা,” তখন তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা অসহায় এক শিশুর আর্তনাদ যেন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। [sigh]
জন কেনেডি টুলের রচনার মুন্সিয়ানা হলো তার সংলাপ। তিনি এমনভাবে চরিত্রগুলোকে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, তাদের বাচনভঙ্গিই তাদের ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয়। টুল লেখেন, “ইগনেশিয়াসের পাকস্থলী তার চারপাশের জগতের অসংগতির প্রতি এক নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে গর্জন করে ওঠে।” এটি কেবল একটি হাসির বই নয়, এটি মানুষের অহংকার, একাকীত্ব আর নিয়তির চাকার নিচে পিষ্ট হওয়ার এক ট্র্যাজিক কমেডি।
শেষ পর্যন্ত ইগনেশিয়াস কি পারবে তার তথাকথিত শ্রেষ্ঠত্বের খোয়াড় থেকে বেরিয়ে আসতে? নাকি ভাগ্যের সেই অমোঘ চাকা, যাকে সে ‘ফরচুনা’ বলে ডাকে, তাকে আরও গভীরে টেনে নিয়ে যাবে? এই গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাওয়ার আগে, একবার অন্তত এই অসামান্য জগতের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন।